সেপ্টেম্বর 3, 2008 by ronysage
A boy burning inside always disappears in the empty place where he cannot be noticed at all. He asks the air about news, something he wants to know about he lost long time ago. Sometimes he talks to the breeze with the expression that this breeze might touch her face and tell he in polite sense how much he care.
When the sky cries in rain, he just gets soaked with every drop and tries to feel how it feels when if she drench under the same rain.
Sometimes he is mad about this relationship because it causes nothing but shedding tears. This time he wants fly behind the cloud, touches the clouds and watch how much soft her hairs are.
This is his worthless feelings, he knows, as he was destined to lose from the civilization and lost in sea, but he couldn’t. Someone says he cheated after himself but he knows he has to reach some parameters she told her to achieve. But what happens if he reaches the goal, perhaps, nothing but shedding tears!
He wrote:
My strawberry tastes get bitter when your eyes feel with tears. My sky becomes cloudy when you sing in melancholy. My lea turns desert as you lost long apart. Never saw the summer so gloomy like the fogs covers the road unduly. My pleasant friends lost their words as they are passing by one another like fallen stars. Past comes to my dreams as the paradise world takes me away with smiley screams.
Won’t you ever feel this away wherever you are walking all the way? Seems I can’t cross the puzzle of love and devotion that prevails my sense with greater frustration. Neither I nor my memories can escape this sense which means I am in love still so immense.
Posted in আমার উদাস নামা! | Leave a Comment »
অগাষ্ট 26, 2008 by ronysage
some smiles while dreaming
some smiles while crying.
expression is same
but different emblem.
life sometimes nice
sometimes rolls in dice!
someone lost apart
someone got hurt
the world is not for me
full of feelings of apathy
highway is waiting to embrace
behind me there is an empty space!
let’s start a journey
with my loneliness
my tears are free to fall
no one to grab, i guess!
** * this poem is also published in
http://pmoworld.forumotion.com/unlimited-posting-of-poems-f7/to-start-a-new-journey-with-loneliness-t697.htm
http://allpoetry.com/poem/4542457
Posted in Poems of apathy, আমার উদাস নামা! | Leave a Comment »
অগাষ্ট 24, 2008 by ronysage
ভরপুর দিন যাচ্ছে ইদানিং। মনে হয় জীবনে একটা বড় পাপ করে ফেলেছি যার তুলনা সে নিজেই। সে জিনিসটা হলো আমার বড় হয়ে উঠা। ছোটকালে কি সুন্দর ছিলাম। নো চিন্তা, ফালাও ফূর্তি। কোনো চিন্তা নাই, খালি খাও দাও, বডি থুক্কু ভূড়ি বানাও আর বিছানা গরম করো মানে ঘুমাও। যদিও আমার ছোটকাল কোনোসময়ই ভালো ছিলো না সেটাও বলবো না। কি করবো মনের মাঝে কিছু উচাটোনিয়ান ল কাজ করাতে স্কুলে সমান বেতালে আর বাসায় তালে তালে মাইর খাইতাম। আর রেজাল্ট দেবার সময় তো কথাই নাই। আমার সবচেয়ে স্মরনীয় মাইর ছিলো কুসুর বাড়ি খাওয়া। এমন মাইর মারছিলো কুসুর ভাঙ্গে নাই, একখান আঙ্গুল ভাঙছিলো। পরে ক্ষুধা লাগার পর সেই কুসুরটাই খাইলাম এবং আশ্চর্যজনক সেই কুসুরের স্বাদও ছিলো কয়েকগুণ বেশী। কিন্তু যদি আমি শয়তানি গুলতানি না করতাম তাহইলে এতো ঝামেলাও হইতো না কোনো মাইরও খাইতাম না। খাও দাও আর ভূড়ি নাচায়া ঘুমাও। এখন বড় হইয়া পরছি এক সমস্যায়। সরকার কি নিয়ম করছে টিন বানাও নাইলে জেল, ট্যাক্স দাও নাইলে রিবেট। প্রথমে মনে করছিলাম ১০০-২০০ টাকা। কিন্তু ট্যাক্সের বা ইভেস্টম্যান্টের অংক দেইখা মনে হইলো চাকরি বাকরি ছাইড়া দিয়া নিঃসন্তানের মতো ঘুরি। প্রথমেই ঝাড়ি দিয়া জিগাস করিলাম এতো ক্যান?
সে আমারে উল্টা ঝাড়ি দিয়া কইলো কামানের সময় তো হুশ আছিলো না, অখন বুঝেন ঠেলা।
ঠেলা বুঝতে বুঝতে আমি ওখন গুলশানে বইসা মতিঝিল দেখতাছি। সুখ নাই এই জামানায়। যখন কোনো মাইয়া একটা মুচকি হাসি লাজুক ঠোটে কিস করে তখন মনে হয় জান্নাত যামুনা, দুনিয়াই জান্নাত। আর যখন দেখি কিছুক্ষন পর পকেট ফাকা, তখন মনে হয় আল্লাহ আমারে উঠায় নাও, মরার জাহান্নামও সমস্যা নাই। খালি একবার উঠাও!
এখন দেখি আকাশ বাতাসেরও মাথা আউলা। বাড়ীতে গেস্ট আসলে বলা হলো যাও ১৫টা নান, ২০ টা বটিকাবাব, ২৫টা চিকেন। বোইনের কি ফর্ম! কারন লগে আছে সবকাজিন গুলান। গজড়াইতে গজড়াইতে বাহির হইয়া দেখি চারিদিক আন্ধার। বুঝলাম এখন সন্ধ্যা না দুপুর! হঠাৎ এক জটিল ঝাক্কাস ঝড়ো হাওয়া আমার সামনে দিয়া ছল্লাৎ মাইরা জিগাইলো লিফট লাগবো কিনা! আমি মনে মনে প্রমাদ গুনলাম। এই ঝড়োহাওয়ার কাছে বিনা পয়সার লিফট নিলে জানে বাচলেও মিরপুর ১ নন্বরের বদলে দেখা যাইবো রাজশাহী ১ নম্বর ভোটকেন্দ্র পাঠায় দিবো। মানে মানে ওয়েট করলাম। একটু আকাশ বিশাল গর্জনে ফটুক মারলো মানে আশেপাশে ঠাটা ফাটাইলো। ইদানিং মেহেদি ভাইয়ের মতে এই ঠাটা বেশী পড়ার মূল কারন হইলো মোবাইল কোম্পানীর অতিরিক্ত টাওয়ার বসানোর ফল। আগে ছাদে উঠলে সুন্দরীদের খোলা চুল দেখা যেতো, এখন নাকি নরকংকাল টাওয়ার দেখা যায় ঠায় দাড়িয়ে আছে! মানুষের ফিল্ডিগ মারনের সুযোগ কাইরা ঠাটা মরনের অব্যাবস্হা করে দিয়েছে। আমি তৎক্ষনাৎ বলিয়া বসি এখন পর্যন্ত ঠাটায় কয়জনের কপাল পুড়ছে?
সে একফাল দিয়া বলিয়া উঠিল, পরছে না মানে, আবার জিগায়, সেদিনও নোয়াখালির সুধারামের জনৈক এক ব্যাক্তি ঠাটা খাইয়া মরহুম হইছে।
আমি কইলাম থাকেন মিরপুর, গপ লন নোয়াখালি! হবু ভাবি কি নোয়াখলির নাকি?
সে দেখি লজ্জায় লালটুক টুক হইয়া গেলো!
তবুও তার কথায় দম আছে, আলুর দম না হইলেও পিয়াজের দম আছে যা ঢেকুর তুলনের জন্য যথেস্ট। কেউ হয়তো বলবে গ্যাস নির্গমনের জন্য যথেস্ট। গ্যাসের কথা যখন বলেই ফেললাম তখন একটা অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেলো। হলে থাকতে ফার্স্ট ইয়ারে অতটা সাহস না থাকার কারনে নেশা টেশা করলে সাধারনত দরজা বন্ধ করেই করতো পাছে বড় ভাইরা না দেখে ফেলে। তো সেদিনকার নেশার মূল মেন্যু ছিলো গান্জ্ঞা। কারন ডাইল কিনার জন্য যাহাকে বিশ্বাস করে টাকা দেয়া হইছিলো সে দুইদিন ধইরা বিশ্বাসের সহিত লাপাত্তা। তাই শেষ ভরসা গান্জ্ঞা। আমার আবার ওগুলোর অভ্যাস না থাকার কারনে চানাচুর আর স্প্রাইট খাচ্ছিলাম। তো দরজা জানালা আটকে ফুল স্পীডে ফ্যান ছেড়ে খাবার সময় হঠাৎ বিদ্যুতের হঠাৎ টয়লেট গমন থুক্কু লোড শেডিং আগমনের ঘটনা ঘটলো। চারদিক অন্ধকার, কেউ কোনো কথা বলছে না, কিন্তু হঠাৎ একটা চিকন সুরের ভ্যারিয়েশন দিয়ে একটা চমৎকার শব্দ সৃস্টি হলো যার প্রথমদিকে ওভার শূট থাকলে শেষের দিকে একটু বেশী ড্যাম্পিং সাউন্ডে রূপ নেয়। তখন বক্তব্য সমূহ:
-কিরে আজকে দুপুরে হলে না খেয়ে বাচা বাবায় খেয়েছিলি নাকি?
-হ, খাওন পাইনাই ডাইনিং এ!
-তো ওখানে ভাতের বদলে নস্ট জিলাপী গুলান খাইলি কেন?
-ঐখানেও ঐ সময় ভাত ছিলো না?
-জীলাপী খাইছোস ভালো কথা সাথে আবার চানাচুর খাইলি কেন?
-চানাচুর খাইলাম কারন জীলাপী খাইয়া পেটে কেমুন জানি জিলাপীর প্যাচের মতো মনে হইছিলো!
-তা আইসা টয়লেট করলি না কেন?
-দুইদিন ধইরা কোষ্ঠকাঠিন্যের পর আজকে সকাল থেকে ডায়রিয়ার ভাব!
আমি ওটা শুনে দরজা খুলে ফুটলাম। কিছুক্ষন পর দেখি রুমের থেকে একজন বের হয় আর ৩ তলা থেকে সোজা নীচে বমি করছে! কি হইছিলো রাতের আধারে বোঝাই যাচ্ছে!
বড়ই ভালগার রাত ছিলো সে রাত!
ভালগার রাত বলতে আরেকটা ঘটনার কথা মনে পরে গেলো। আমার এক কলিগ টানা দুদিন ছুটি কাটিয়ে বিষন্ন মনে আফিসে এসে ইয়াঊদ্দিনের মতো মুখ কইরা বইসা রইলো। আমি কিছু জিজ্ঞেস করতেই সে বলে বসলো তার বিবাহ নিয়া নাকি টানাটানি লাগছে।
আমি বললাম তাই নাকি বস, তা নতুন বিয়া করতাছেন কবে? শালী দেইখা বিয়া করতে হইবো এইটা কিন্তু এই অধমের দুইমাত্র আব্দার।
সে আমার দিকে রাগতঃস্বরে তাকিয়ে বললো ধুরু মিয়া, বৌখালি সন্দেহ করে আর আপনে আছেন আপনের মস্করা নিয়া। ভোটার আইডি কার্ড বানাইতে গেছিলাম। ভুল কইরা স্বামীর নামে টিক দিয়া বৌ এর নাম লিখছি। আইডি কার্ডে দেখি স্বামীর নামে আরেকটা কোন জরিনার নাম। আমি আইডি কার্ড লুকাইয়াই রাখছিলাম, কিন্তু আপনের ভাবী কেমনে জানি পাইয়া দেইখা ফেলে। পরে আমারে সরাসরি ডাইরেক্ট হিট, আগের কাজের মেয়েটার সাথে কয়দিন ধরে সম্পর্ক। আমি এত বড় অবিশ্বাস দেখে কি রাগ করবো তার আগেই ওর ডাইরেক্ট হিটে আমি কাহিল। পরে বুঝালাম এটা ওরা ভুল করছে। ওর একটাই কথা এত নাম থাকতে জরিনা কেন? আমি বললাম, আমি কি জানি? সেটো মানতেই চায় না। পরে দেখি শ্বশুর শ্বাশুরি সবাই এসে দুই বেলা মূল্যবৃদ্ধির রাজভোগ খাইয়ে তারপর সব ঠান্ডা। মন চায় মাইর দিতে কিন্তু কারে মাইর দিবো সেইটাই জানি না!
Posted in কি জামানা | Leave a Comment »
অগাষ্ট 24, 2008 by ronysage
ইংলিশে একটা শব্দ আছে- Desire। এটার অর্থ যাই হোক, আমার কাছে আছে এর নিজস্ব মানে। বলা যায় নিজের মতো করে একটা কিছু বুঝে নেয়া এবং সেটাকে বক্ষে বাকী জীবন ধারন করা।
তবে এটা জানা যায় এ সমাজে কোনোকিছুর মানে একভাবে বিচার করা যায় না। বর্তমান কর্পোরেট ডিসকাউন্টের লাইফ যেভাবে শুরু হয়েছে, একসময় দেখা যাবে মানুষ কোনো কিছুতে এমন কিছু ডিসকাউন্ট পাবে যেটা হয়তো চিন্তা করলেও মনে হবে কেন পেলাম? না পেলে হয়তো ভালোই ছিলো?
দেখা গেলো একজন বুড়ো লোক অনেকদিন পর বাড়ী থেকে একলা বের হয়ে স্প্রাইট খেতে গেলো দোকানে। ছিপি খুলে সে খাওয়া শুরু করলো মনের সুখে এর মধ্যে বেরসিক দোকানদার বলে বসলো,”চাচা, ছিপিটার প্লাস্টিকটা টানেন, দেখেন ভিতরে কি পাইলেন?”
-দেখার কি আছে? কোনো কিছু চলতাছে নাকি স্প্রাইট খাওনের জন্য?
-কি যেকোন? দুনিয়া ঘুরে পশ্চিমে আপনে এখনও কৈলাসে! দেখেন ছিপিতে আপনের কি কপালে আছে!
-আইচ্ছা, দেও দেখি আমিই খুলি।
কিন্তু খুলেই বৃদ্ধ খেলো চরম ধাক্কা, পুরস্কারে যেটা লেখা আছে সেটা দেখে দোকানী বললো,”চাচা, আপনের কপালে একটা ঘসা দিমু, আপনে আমার বাপ হইলে সারাদিন সেবা কইরা যৌবন পার কইরা দিতাম!”
কিন্তু চাচার মুখের হা বন্ধ হয় না! আসলে পুরস্কারে কি লেখা আছে?
” সম্মানিত ক্রেতা,
আপনি জিতেছেন ২ কোটি টাকার টক টাইম আপনার মোবাইল নম্বরটিতে। আপনি আগামী দুদিনে যেকোনো নম্বরে ইচ্ছে মতো কথা বলুন। আপনি 2 croreলিখে 666 নম্বরে আজকেই পাঠিয়ে দিন আর উপভোগ করুন আপনার পুরস্কার!
ধন্যবাদ”
যাই হোউক আমি পেলে আমি নিজে কি করতাম সেটা বুঝতে হয়তো টকটাইমের মেয়াদ ফুরিয়েই যেতো! তাই বলে আমরা আশা আকাংখা থেকে দূরে সরে যাই না, যেটেও চাই না।একসময় বুড়োদের বলতে শুনতাম “এযুগের পুলাপান বড় বেশী শয়তান, চুল ধরে মারে টান”। পরে আসলে ডিজুস যুগ। প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলো এ ক্যাম্পেনটা আসলে সফল হবে না এটা শিওর। কিন্তু সেদিন এক চাচাকে জিজ্ঞেস করলাম,” চাচা, পিচ্চির কি খবর? কলেজ কেমন চলে ওর?”
-কেমন চলবো, সারাদিন তো ডিজুস হইয়া ঘুড়ে। রাইতের বেলাতো রুমের বাইরে থিকা বাইর হয় না। একদিন মোবাইল হাতাইয়া দেখি ১২ টা মাইয়ার নম্বর। তোমার চাচী কইলো এই গুলান নাকি ওর গার্লফ্রেন্ড। শুইনা সেদিন চলা লইয়া দাবড় দিছিলাম। দুইদিন বাদে বাসায় আইসা কয় আমি নাকি বুইড়া হইয়া গেছি। কয় কি বেয়াদ্দবে? হেইদিনকার পুলা আর আমারে কয় বুইড়া! সাহস দেইখা আমি পুরা তাজ্জুব হইয়া যাই, আরে বুড়া হইবো তোর বাপ তোর চইদ্দ গুষ্ঠি……
বুঝতে পারলাম চাচার ৪২০ ভোল্টের খাম্বার বাত্তি জ্বলছে। তবে এটা বুঝলাম ডিজুস সফল এবং একটা পুরো জেনারেশনকে পাংকু বানিয়ে ছেড়ছে। সেদিন জীমে গেলাম। অনেকদিন পর হাসানকে দেখলাম। কিন্তু এতদিন পরও এলেও বডি খারাপ না। পরে ব্যায়াম করার সময় মাসুদ এসে শুরু করলো,”কিরে এতদিন পর কই থিকা? পাড়ায় ঢুকলি কেমনে?”
-আরে কি খবর? কালকা আইছি!
-বডি দেইখা আগের মতো নাই। তা দেখছে নিকি তরে…
-হ অর মায় দূর থিকা দেখছে, মনে হয় আর কিছু কইবো না!
আমি ওদের বক্তব্য শুনার পর আরেকটু আড়ি পাতলাম, কিন্তু আড়ি পাতার আগেই বলা শুরু করলো ওর ঘটনা। একটা মেয়েকে পছন্দ হয়েছে একই স্কুলে পড়ে। কিন্তু মেয়েটা হলো এলাকার এক ক্ষমতাশালী হুজুরের মেয়ে, বোরখা পড়ে। সবার একটাই বিস্ময় যেই মেয়ের চেহারাই কোনোদিন দেখলো না, তার প্রেমে কেমনে পরে? তবে মেয়েটা নাকি হেভী সুন্দর এবং সেক্সী (তবে এই ওয়ার্ডে একটু প্রবলেম আছে মনে হয় ওর)। যাই হোক, প্রতিদিন চোখাচোখি ইশারায় একদিন সন্ধ্যার সময় চিঠি লিখে বাসায় দরজার নীচে দিয়ে আসলো হাসান। পরের দিন সকালে ওযখন স্কুলে যাবে তখন বাসার সামনে ঐমেয়েটার মা আর হুজুর সাব গাড়ী নিয়ে দাড়িয়ে আছে। বললো,”যদি এলাকায় থাকতে চাস, মসজিদের সামনে এখনই আয়!”
ও একটু ভয় পেলো, কারন ও যতটুকু বুঝতে পারলো ওর নামে সালিশ বসেছে। ও আর সালিশে যায়নি ওখান দিয়ে চম্পট দিয়েছে। ওর হিসাবে একটু গন্ডগোল হয়েছিলো সেদিন সন্ধ্যায়। ও যে ঘরটা ঐ মেয়েটার বলে জানতো ওটা ছিলো হুজুরের বেডরুমের আর চিঠিটা পড়েছে ওর মার হাতে।
ইদানিং দেশে কিছু পরিবর্তন আসছে। সহজ ভাবে বললে বলা যায় কিছু উন্নতি হচ্ছে। একসময় দেখা যেতো কৃষক কস্ট করে ধান ফলাতো আর টাকা পেতো আড়ৎদার। টাকাটা মুষ্টিমেয় লোকের হাতে। এখন দেখা যায় যে কৃষকের সামান্য জমি আছে সেও আজকাল বেশ স্বাচ্ছন্দে থাকতে পারছে। এককালে দেখা যেতো এরা ব্যাংকের কাছে সবকিছু বিক্রি করে দিতো। এখন বিক্রি করার হার কমে গেছে। হয়তোবা শোষন চলছে কিন্তু যারা বুদ্ধিমান, একটু শিক্ষার আলো পাচ্ছে তারা বেরিয়ে আসতে পারছে, এবং আমি এমনও দেখেছি কিছু কিছু ক্ষেত্রে লোনদেনেওয়ালাদের ঘাম ছুটে যায় এসব লোন নেলেওয়ালাদের দৌড়াত্ন দেখে। আমার কাছে যেটা পজিটিভ মনে হয় এখন জনসাধারন্যের টাকা গুলো যাচ্ছে। আর যাচ্ছে বলেই হয়তো দুর্ভিক্ষগুলো মহামারীর মতো ছড়াচ্ছে না। তবে হ্যা একটা ভয়াবহ ব্যাপার নিরবে ঘটে যাচ্ছে সেটা বাল্যবিবাহ বা বহুবিবাহ এবং জনসংখ্যা। এটা আসলে খুবই ভয়ন্কর তার উপর যখন কিছু লোক ধর্মের দোহাই দিয়ে এ কাজে মদদ দেয়। জানিনা আমাদের এই শাখের করাত কবে আমাদের পিছু ছাড়বে!
Posted in কি জামানা | Leave a Comment »