হাতে আছে মাত্র একটা দিন
খুবই দরকার পাশ করাটা
পরীক্ষার পর পরীক্ষা, ট্রান্সক্রিপ্ট দেখাই হয় না।
মাঝে মাঝে পুরোনো স্মৃতি মনে পড়ে
মনে পড়ে কারো চোখে জীবন দেখা
কারো চোখে ভালোবাসা
কারো চোখে নিঃগৃহের কান্না
তখন মনে হয় সবি মায়া ভ্রম
সবি অর্থহীন ধেয়ে চলা
বেচে থাকাটাই মোক্ষম এই সমাজে
থাকতেই হবে
সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টন বোঝা বেধেছি যে পিঠে!
যেতে হবে বহুদূর
সাথে বোনের বিয়া, বাবা মার চিকিৎসা
আরও কতো ধার দেনা!
বাবার সাথে শেষ দেখায় কথা হয়নি চোখে চোখ রেখে
মার কাছে ক্ষমা চাইতে ছোয়া হয়নি তার পা
বোনটা করতে পারেনি আলিঙ্গন শেষ বিদায়ের
নিতান্ত সময় নেই ছল ছুতোয়
আমি পাথর হয়ে প্রহর গুনছি, সেই ইমিগ্রেশন
আমার সকল অর্থপূর্ন অথবা অর্থহীন ভালোবাসা থমকে দাড়ায়
এক বিন্দুতে যখন রাতের আধারে চোখ ভিজে যায়
হাত দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে হাত ভিজে যায়
তারপর লেপ খ্যাতা বালিশ
অগত্যা বারান্দায় দাড়িয়ে কনকনে শীতে ভাবতে থাকি
কি হারিয়েছি কিইবা পেলাম
এই হিংসুটে মন নিজেকেই শাসায়
কতটাইনা বোকা এই আমি ছিলাম!
তবু যখন বেজে ওঠে ফোন
বলে কেউ ও পাশ থেকে
“কেমন আছো? কি কর?”
তখন মনে হয় এই গলাটাকে আকড়ে ধরি
অথবা বলি শত সহস্রবার “ভালোবাসি”।
ধরেই নিয়েছিলাম শেষ থেকে শুরু হবে না
অথবা শেষ মানেই একেবারে নিঃশেষ!
তবু কিছু মন স্বপ্ন দেখায়
তবু কিছু শিল্প খড়কুটোতেও হয়।
তাকে ভালোবাসতে লাগে না কোনো দিবস
বিছাতে হয় না কার্পেট তার আগমনে
ফুলের তোড়ায় সাজাতে হয় না কোনো তোড়ন
শুধু হাসিমুখেই বললেই চলে,”ভালোবাসি, ভালোবাসি!”
তবুও প্রশ্ন থেকে যায়
জীবন মানেই অযুত বাধা অন্তরায়
সবকিছু আমাকেই করতে হবে
সিদ্ধান্ত আমাকেই নিতে হবে
তোমাকে ভালোবাসতেই হবে
পরিবারের দায় আমাকেই মিটাতেই হবে!